Advertisement
অন্যান্য টপিকইসলামিক খবরইসলামিক ঘটনাইসলামিক ছবি

শিক্ষনীয় ঘটনা

Advertisement

একবার একজন সাহাবী

রাসূলুল্লাহ (সঃ) এর খেদমতে

হাজির হয়ে হয়ে ক্ষুধা ও

পেরেশানির অবস্থা জানালেন।

রাসূল (সঃ) নিজের ঘরে খোঁজ

নিলেন, কিন্তু ঘরে দেওয়ার মত

কিছু পাওয়া গেল না।

তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) সাহাবায়ে

কেরামদেরকে লক্ষ্য করে বললেন,

কেউ আছে কি? যে এক রাতের

জন্য এই ব্যক্তির মেহমানদারী

কবুল করবে?

এক আনসারী সাহাবী বললেন,

ইয়া রাসূলুল্লাহ, আমি

মেহমানদারী করব।

তিনি মেহমানকে ঘরে নিয়ে

গেলেন এবং স্ত্রীকে বললেন,

এই ব্যক্তি রাসূল (সাঃ) এর

মেহমান। যতটুকু সম্ভব উনার

মেহমানদারীতে কোন প্রকার

ত্রুটি করবে না, এবং কোন

জিনিস লুকিয়ে রাখবে না।

স্ত্রী বললেন: আল্লাহর কসম,

বাচ্চাদের উপযোগী সামান্য

খাবার ছাড়া ঘরে আর কিছু নেই।

সাহাবী (রাঃ) বললেন, বাচ্চাদের

ভুলিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দাও এবং যখন

ওরা ঘুমিয়ে পড়বে তখন

আমি খাবার নিয়ে মেহমানের

সাথে বসব, আর তুমি বাতি

ঠিক করার বাহানায়

উঠিয়া বাতি নিভিয়ে দিবে।

সুতরাং উনার স্ত্রী তাই করলেন।

স্বামী-স্ত্রী উভয়ে এবং বাচ্চারা

ক্ষুধার্ত অবস্থায় রত কাটালেন।

এই পেক্ষিতে একটি আয়াত

নাজিল হয় , যার অর্থ হলঃ

আর তাহারা অন্যকে নিজেদের

উপর অগ্রাধিকার দেয়, যদিও

তারা ক্ষুধার্ত থাকে

সকালে হজরত সামেত (রাঃ)

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর খেদমতে

হাজির হলে রাসূল (সাঃ) বললেন,

রাতে মেহমানের সহিত

তোমরা যে আচরণ করেছ

তা আল্লাহ তা’য়ালা অত্যন্ত

পছন্দ করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button