অন্যান্য টপিকইসলামিক খবরইসলামিক ঘটনাইসলামিক ছবিনবীদের জীবনী

হুসাইন যুদ্ধ পর্ব ৬

জি‘রানা নামক স্থানে গণীমত বন্টন (قِسْمَةُ الْغَنَائِمِ بِالجِعْرَانَةِ):

ত্বায়িফ অবরোধ পর্ব সমাপনান্তে নাবী কারীম (সাঃ) ফিরে আসেন। গণীমত বন্টন ব্যতিরেকেই জি’রানা নামক স্থানে অবস্থান করতে থাকেন। এ বিলম্বের কারণ ছিল হাওয়াযিন গোত্রের প্রতিনিধিদল ক্ষমাপ্রার্থী হয়ে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট আগমন করবে এবং তাদের সম্পদাদি ফেরত নিয়ে যাবে। কিন্তু সদিচ্ছা প্রণোদিত বিলম্ব করা সত্ত্বেও তাদের পক্ষ থেকে কেউ যখন আগমন করল না রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তখন গণীমতের মাল বন্টন শুরু করে দিলেন। উদ্দেশ্য ছিল গণীমতের ব্যাপারে বিভিন্ন গোত্রের নেতা এবং মক্কার সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিগণের যারা সন্দিগ্ধ চিত্ত ছিল এবং অনর্থক কথাবার্তা বলাবলি করে বেড়াত তাদের মুখ বন্ধ করা। মুওয়াল্লাফাতুল কলুবগণই[1] সর্বপ্রথম প্রাপ্ত হলো। তাঁদেরকে বড় বড় অংশ দেয়া হল।

আবূ সুফইয়ান বিন হারবকে চল্লিশ উকিয়া (ছয় কিলো হতে কিছু কম) রৌপ্য এবং একশ উট প্রদান করা হল। তিনি বললেন, ‘আমার ছেলে ইয়াযীদ?’ নাবী কারীম (সাঃ) ইয়াযীদকেও অনুরূপ অংশ প্রদান করলেন। তিনি বললেন, ‘আমার ছেলে মু’আবিয়া?’ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তাঁকেও অনুরূপ অংশ প্রদান করলেন, (অর্থাৎ তাঁর ছেলেদের সহ শুধু আবূ সুফইয়ানকে আনুমানিক আঠার কিলো রৌপ্য) এবং তিনশ উট দেয়া হয়েছিল।

হাকীম বিন হিযামকে একশ উট দেয়া হয়েছিল। তিনি আরও একশ উটের জন্য আবেদন জানালে পুনরায় তাঁকে একশ উট দেয়া হয়েছিল। অনুরূপ ভাবে সাফওয়ান বিন উমাইয়াকে একশ উট, দ্বিতীয় দফায় আরও একশ উট এবং তৃতীয় দফায় আবারও একশ উট (মোট তিনশ উট) দেয়া হয়েছিল।[2]

হারিস বিন কুলাদাহকেও একশ উট দেয়া হয়েছিল। কিছু সংখ্যক অতিরিক্ত কুরাইশ এবং অন্যান্য নেতাগণকেও কয়েক শ’ উট দেয়া হয়েছিল। অধিকন্তু, অন্যান্য কিছু সংখ্যক নেতাকেও পঞ্চাশ এবং চল্লিশ চল্লিশ করে উট দেয়া হয়েছিল। এমনকি জনগণের মাঝে প্রচার হয়ে গেল যে, মুহাম্মাদ (সাঃ) এমনভাবে দান খয়রাত করছেন যে, তাদের আর পরমুখাপেক্ষী হওয়ার কোন ভয় নেই। কাজেই, অর্থ সাহায্য গ্রহণের জন্য বেদুঈনদের দল নাবী কারীম (সাঃ)-এর নিকট ভিড় জমাতে থাকল। অতিরিক্ত ভিড় এড়ানোর কারণে একটি বৃক্ষের দিকে সরে পড়তে তিনি বাধ্য হলেন। কিন্তু ঘটনাক্রমে তাঁর চাদর খানা বৃক্ষের সঙ্গে জড়িয়ে গেল। তখন তিনি বললেন :

(‏أَيُّهَا النَّاسُ، رُدُّوْا عَلٰى رِدَائِيْ، فَوَ الَّذِيْ نَفْسِيْ بِيَدِهِ لَوْ كَانَ عِنْدِيْ عَدَدَ شَجَرٍ تِهَامَةٍ نَعَمًا لَقَسَّمْتُهُ عَلَيْكُمْ، ثُمَّ مَا أَلْفَيْتُمُوْنِيْ بَخِيْلاً وَلَا جُبَاناً وَلَا كَذَّابًا)‏‏

ওহে লোক সকল! আমার চাদর ফিরিয়ে দাও। সুতরাং সেই সত্ত্বার কসম যাঁর হাতে আমার প্রাণ, আমার নিকট যদি তুহামাহ বৃক্ষের সমপরিমাণ চতুষ্পদ জন্তু থাকে তবু তা তোমাদের মাঝে বণ্টন করে দেব। তারপর তোমরা দেখবে যে, আমি কৃপণ নই, ভীতও নই আর মিথ্যাবাদীও নই।

তারপর তিনি তাঁর স্বীয় উটের নিকট গিয়ে দাঁড়ালেন এবং এবং খানিকটা লোম উপড়ে নিয়ে হাত উপরে তুলে বললেন,

‏(‏أَيُّهَا النَّاسُ، وَاللهِ مَالِىْ مِنْ فَيْئِكُمْ وَلَا هٰذِهِ الْوَبَرَةُ إِلَّا الْخُمُسَ، وَالْخُمُسُ مَرْدُوْدٌ عَلَيْكُمْ‏)

‘ওহে জনগণ! আল্লাহর কসম! তোমাদের ফাই সম্পদের মধ্যে আমার জন্য কিছুই নেই। এমনকি এ লোমগুলোর পরিমাণও নেই। শুধু এক পঞ্চমাংশ আছে এবং সেটুকুও তোমাদের হাতেই ফিরিয়ে দেয়া হবে।

মুওয়াল্লাফাতুল কুলবুকে দেয়ার পর রাসূলুল্লাহ (সাঃ) যায়দ বিন সাবেতকে নির্দেশ প্রদান করলেন সৈন্যদের মধ্যে গণীমত বন্টনের জন্য হিসাব কিতাব তৈরি করতে। তিনি যে হিসাব তৈরি করলেন তাতে দেখা গেল যে, প্রত্যেক সাধারণ সৈনিকের অংশে এসেছে চারটি করে উট এবং চল্লিশটি করে বকরি। ঘোড়সওয়ারদের প্রত্যেকের অংশে এসেছে বারটি উট এবং একশ বিশটি বকরি।

এ বন্টনের ভিত্তি ছিল এক কৌশলময় রাজনীতি। কারণ, পৃথিবীতে এমন অনেক লোক আছে যাদের সত্যের পথে আনা হয় বিবেক বুদ্ধির পথ ধরে নয়, বরং পেটের পথ ধরে। অর্থাৎ তৃণভোজী পশুর সামনে এক গুচ্ছ সতেজ ঘাস ধরলে সে যেমন লাফ দিয়ে অগ্রসর হয়ে সেস্থানে পৌঁছে যায়, অনুরূপ ধারায় উল্লেখিত ধরণের লোকজনদের আকৃষ্ট করার প্রয়োজন রয়েছে। যাতে তারা ঈমানের সঙ্গে  অন্তরঙ্গ হয়ে তার জন্য আগ্রহী ও উদ্যমী হতে পারে।[3]

আনসারদের বিমর্ষতা ও দূর্ভাবনা (الْأَنْصَارُ تَجِدُ عَلٰى رَسُوْلِ اللهِ ﷺ):

রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর এ প্রাজ্ঞ রাজনীতির ব্যাপারে প্রাথমিক অবস্থায় কোন কোন লোকের মতো সুস্পষ্ট ধারণা সৃষ্টি না হওয়ার কারণে কিছু কিছু মৌখিক প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছিল। বিশেষ করে আনসারদের উপর এর প্রভাব এবং প্রতিক্রিয়া ছিল সব চাইতে বেশী। কারণ, হুনাইন যুদ্ধের সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা থেকে তাঁরা বঞ্চিত হয়েছিলেন। অথচ বিপদের সময় তাঁদেরকেই আহবান জানানো হয়েছিল এবং সে আহবানে সর্বাগ্রে সাড়া দিয়ে তাঁরাই রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সঙ্গে মিলিত হয়েছিলেন এবং এমন বীরবিক্রমে যুদ্ধ করেছিলেন যে, কিছুক্ষণের মধ্যেই কঠিন বিপর্যয় সুন্দর বিজয়ে পরিণত হয়ে যায়। কিন্তু তাঁরা তখন প্রত্যক্ষ করলেন যে, পলায়নকারীদের হাত হল পূর্ণ অথচ তাঁদের হাতই রয়ে গেল শূন্য।[1]

আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে ইবনু ইসহাক্ব বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কুরাইশ এবং অন্যান্য আরব গোত্রগুলোকে গণীমত বন্টন করে দিলেন, আনসারদের ভাগে কিছুই পড়ল না, তখন তাঁরা মনে মনে অত্যন্ত দুঃখিত ও দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়লেন। তাঁদের মনে এতদসংক্রান্ত অনেক প্রশ্নের উদয় হল। এমনকি তাঁদের মধ্য থেকে একজন বলেই বসলেন যে, ‘আল্লাহর কসম! রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তাঁর নিজ কওমের সঙ্গে মিশে গেছেন।’ এ প্রেক্ষিতে সা‘দ (রাঃ) রাসূলে কারীম (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে আরয করলেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল (সাঃ) ফাই বন্টনের ব্যাপারে আপনি যে ব্যবস্থা অবলম্বন করেছেন তাতে আনসারগণ আপনার প্রতি দুঃখিত এবং মনক্ষুণ্ণ হয়েছেন। আপনি নিজ কওমের লোকজনদের মধ্যেই তা বন্টন করেছেন এবং তাঁদেরকে অনেক বেশী বেশী পরিমাণ দান করেছেন কিন্তু আনসারদের কিছুই দেন নি।’

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন, ‏(‏فَأَيْنَ أَنْتَ مِنْ ذٰلِكَ يَا سَعْدُ‏؟‏‏)‏ ‘হে সা‘দ! এ সম্পর্কে তোমার ধারণা কী?’ তিনি বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমিও তো আমার কওমের লোকজনদের মধ্যে একজন।’

নাবী কারীম (সাঃ) বললেন, ‏(‏فَاجْمِعْ لِيْ قَوْمَكَ فِيْ هٰذِهِ الْحَظِيْرَةِ‏)‏‏ ‘আচ্ছা তাহলে তোমার কওমের লোকজনকে তুমি অমুক স্থানে একত্রিত কর।’

সা‘দ (রাঃ) তাঁর কওমের লোকজনদের নির্ধারিত স্থানে সমবেত করলেন। কিছু সংখ্যক মুহাজির আগমন করলে তাঁদেরকে সেখানে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হল। কিছু সংখ্যক অন্যলোক সেখানে আগমন করলে তাদের ফিরিয়ে দেয়া হল। যখন সংশ্লিষ্ট লোকজনেরা সেখানে একত্রিত হলেন, তখন সা‘দ (রাঃ) নাবী কারীম (সাঃ)-এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে আরয করলেন, ‘আনসারগণ আপনার জন্য একত্রিত হয়েছেন।’

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তৎক্ষণাৎ সেখানে আগমন করলেন এবং আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান করার পর বললেন,

‏(‏يَا مَعْشَرَ الْأَنْصَارِ، مَا قَالَهٌ بَلَغَتْنِيْ عَنْكُمْ، وَجِدَةٌ وَجَدْتُمُوْهَا عَلٰى فِيْ أَنْفُسِكُمْ‏؟‏ أَلَمْ آتِكُمْ ضَلَالاً فَهَدَاكُمُ اللهُ‏؟‏ وَعَالَةٌ فَأَغْنَاكُمُ اللهُ‏؟‏ وَأَعْدَاءٌ فَأَلَّفَ اللهُ بَيْنَ قُلُوْبِكُمْ‏؟‏‏)

‘ওহে আনসারগণ! কী কারণে তোমরা আমার ব্যাপারে অসন্তুষ্টি পোষণ করেছ? আমি কি তোমাদের নিকট এমন অবস্থায় আসি নি যখন তোমরা পথভ্রষ্ট ছিলে? আল্লাহ তোমাদেরকে হিদায়াত দান করেছেন? তোমরা অসহায় ছিলে তিনি তোমাদেরকে সহায় সম্পদ দান করেছেন, তোমরা পরস্পর পরস্পরের শত্রু ছিলে, তিনি তোমাদের মধ্যে মহববতের বন্ধন সৃষ্টি করে দিয়েছেন। লোকজনেরা বললেন, ‘অবশ্যই, এ সব কিছুই আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল (সাঃ)-এর বড়ই অনুগ্রহ।’

অতঃপর নাবী কারীম (সাঃ) বললেন,

‏(‏أَمَا وَاللهِ لَوْ شِئْتُمْ لَقُلْتُمْ، فَصَدَقْتُمْ وَلَصُدِّقْتُمْ‏:‏ أُتِيْتَنَا مُكَذَّبًا فَصَدَّقَنَاكَ، وَمَخْذُوْلاً فَنَصَرْنَاكَ، وَطَرِيْداً فَآوَيْنَاكَ، وَعَائِلاً فَآسَيْنَاكَ‏)‏‏.‏

‏(‏أوَجَدْتُمْ يَا مَعْشَرَ الْأَنْصَارِ فِيْ أَنْفُسِكُمْ فِيْ لَعَاعَةٍ مِّنْ الدُّنْيَا تَأَلَّفَّتُ بِهَا قَوْماً لِيُسْلِمُوْا، وَوَكَلْتُكُمْ إِلٰى إسلَامِكُمْ‏؟‏ أَلَا تَرْضَوْنَ يَا مَعْشَرَ الْأَنْصَارِ أَنْ يَّذْهَبَ النَّاسُ بِالشَّاةِ وَالْبَعِيْرِ، وَتَرْجِعُوْا بِرَسُوْلِ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِلٰى رِحَالِكُمْ‏؟‏ فَوَالَّذِيْ نَفْسُ مُحَمَّدٌ بِيَدِهِ، لَوْلَا الْهِجْرَةُ لَكُنْتُ اِمْرُأٌ مِّنَ الْأَنْصَارِ، وَلَوْ سَلَكَ النَّاسُ شِعْبًا، وَسَلَكَتِ الْأَنْصَارُ شِعْباً لَسَلَكْتُ شِعْبَ الْأَنْصَارِ، اللّٰهُمَّ ارْحَمِ الْأَنْصَارَ، وَأَبْنَاءَ الْأَنْصَارِ، وَأَبْنَاءَ أَبْنَاءِ الْأَنْصَارِ‏)‏‏.‏

আনসারগণ! তোমরা আমার কথার উত্তর দিচ্ছ না কেন?’ আনসারগণ বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল (সাঃ)! আমরা কী উত্তর দিব? এ সব তো আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল (সাঃ)-এর অনুগ্রহ। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন, ‘দেখ, আল্লাহর কসম! ইচ্ছা করলে তোমরা বলতে পার সত্য কথাই বলবে এবং তোমাদের কথা সত্য বলে ধরা নেয়া হবে যে, ‘আপনি আমাদের নিকট এমন সময় এসেছিলেন যখন আপনাকে মিথ্যাবাদী প্রতিপন্ন করা হচ্ছিল। আমরা আপনাকে সত্য বলে স্বীকার করেছি। আপনি যখন ছিলেন বন্ধু-বান্ধব ও সহায় সম্বলহীন তখন আমরা আপনাকে সহায়তা দান করেছিলাম। আপনাকে যখন বিতাড়িত করা হয়েছিল তখন আমরা আপনাকে আশ্রয় দান করেছিলাম। আপনি যখন ছিলেন অভাবগ্রস্ত ও দুশ্চিন্তাগ্রস্ত আমরা তখন দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হতে আপনাকে সাহায্য করেছিলাম।’

অতঃপর নাবী কারীম (সাঃ) বললেন, ‘হে আনসারগণ! একটি নিকৃষ্ট ঘাসের জন্য তোমরা নিজ নিজ অন্তরে অসন্তুষ্ট হয়েছ, অথচ এর মাধ্যমে আমি তোমাদের অন্তরকে একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত করে দিয়েছি যাতে তোমরা মুসলিম হয়ে ইসলামের প্রতি সমর্পিত হয়ে যাও। হে আনসারগণ! তোমরা কি সন্তুষ্ট নও যে, সে সকল লোকেরা উট এবং বকরি নিয়ে ফিরে যাবে, আর তোমরা স্বয়ং আল্লাহর রাসূল (সাঃ)-কে নিয়ে নিজ কওমের নিকট ফিরে যাবে? সে সত্তার কসম যাঁর হাতে রয়েছে আমার জীবন! যদি হিজরতের বিধান না হতো তবে আমিও হতাম আনসারদের মধ্যকার একজন। যদি অন্যান্য লোকেরা এক পথে চলেন এবং আনসারগণ অন্য পথে চলেন তাহলে আমিও আনসারদের পথে চলব। হে আল্লাহ! আনসারদের তাঁদের সন্তানদের এবং তাঁদের সন্তানদের (অর্থাৎ নাতিপুতিদের) প্রতি রহম করুন।

রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর এ ভাষণ শ্রবণ করে উপস্থিত লোকজনেরা এতই ক্রন্দন করলেন যে, তাঁদের মুখমন্ডলের দাড়িগুলো ভিজে গেল। তাঁরা বলতে লাগলেন, ‘আমরা এ জন্য সন্তুষ্ট যে, আল্লাহর রাসূল (সাঃ) আমাদের অংশে এবং সঙ্গে রয়েছেন।’ অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ফিরে আসেন এবং লোকজনেরাও বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়েন।[2]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button